Description
অনুবাদক : মাওলানা মোঃ আব্দুল আলীম
সমাজে প্রসিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল যে, কোন আহলে কেবলাকে কাফের সাব্যস্ত করা নিঃশর্তভাবে নিষিদ্ধ। চাই সে দীনের কোন জরুরী বিষয় অস্বীকার করুক, অথবা কোন জরুরী বিষয়ের অপব্যাখ্যা করুক, কিংবা তার কথাবার্তা থেকে কুফর স্পষ্ট হোক ।…
কিছু কিছু লোক তো নাম ধরেই মির্যায়ীদের কাফের না হওয়ার ফলাফল বের করে। বিশেষত এরা সেইসব মির্যায়ীদেরকে কাফের সাব্যস্ত করে না, যারা বাহ্যিকভাবে মির্যা কাদিয়ানীর নবী হওয়ার বিষয় অস্বীকার করে এবং মির্যার নবুয়ত দাবির ব্যাপারটিকে তাবীল করে । যদি ব্যাপারটি এমনই হয়, যেমনটা এরা বুঝে নিয়েছেন, তা হলে সেইসব লোককে কাফের সাব্যস্ত করার কী অর্থ থাকতে পারে, যারা মুসায়লামা কায্যাব ইয়ামামীর উপর ঈমান এনেছিল । অথচ তারাও তো নামায পড়ত, রোযা রাখত, যাকাতও দিত এবং মুসায়লামার নবুয়তের বিষয়টি তাবীল করত। তা ছাড়া মুসায়লামা কায্যাবও আমাদের সরদার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর ঈমান এনেছিল । আমি মুসলমানদের মধ্যে এমন কাউকে দেখেনি, যে মুসায়লামা বা তার অনুসারীদেরকে কাফের বলার পক্ষপাতী নয় । আর যখন ‘মুসায়লামা ও তার অনুসারীরা কাফের নয়’ এমন বক্তব্য সর্বসম্মতিক্রমে বাতিল, তখন ‘মির্যা ও তার তাবীলকারীরা কাফের নয়’ এমন দাবি বাতিল হবে না কেন?
আল্লাহ তাআলা ‘ইফারুল মুলহিদীন’ গ্রন্থের রচয়িতাকে পরিপূর্ণ জাযা দান করুন । তিনি এই বিষয়টি এমনভাবে বিশ্লেষণ করেছেন, যার উপর আর কোন বিশ্লেষণ হতে পারে না। কেননা, তাঁর এই রচনা কামেল ও মুকাম্মাল । লেখক দলিল-প্রমাণও ইনসাফের আঁচল না ছেড়ে সমান তালে উল্লেখ করেছেন।






Reviews
There are no reviews yet.